নীলফামারীর ডিমলায় স্কুল ছাত্রী অপরহনের ৩ মাস ১০দিন পর বুধবার সন্ধ্যায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্কুল ছাত্রী উদ্ধার করলেও অপহরনকারী পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার স্কুল ছাত্রীর ডাক্তারী পরীক্ষা নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালে সম্পন্ন করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালীগঞ্জ গ্রামের সহিদুল ইসলাম কন্যা ও কালীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী শাম্মি আক্তার(১৫)কে বিদ্যালয়ের আসার পথে চলতি বছরের ১ আগষ্ট অপহরন করা হয়। অপহরনের ৩দিন পর ছাত্রীটির পিতা সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একই গ্রামের আফজাল হোসেনের পুত্র মোস্তাকিন ইসলাম (২১) সহ ৭জনকে আসামী করে ডিমলা থানায় মামলা নং-৩ দায়ের করেন। মামলা পর থেকে আসামীরা স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্বগোপন করতে থাকে।
পুলিশ মোবাইল ট্রেকিং করে জানতে পারে পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলায় স্কুল ছাত্রী ও মামলার প্রধান আসামী মোস্তাকিন ইসলাম অবস্থান করছে।
দেবীগঞ্জ থানার পুলিশের সহযোগীতায় ডিমলা থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমাদ উদ্দিন মোঃ ফারুক ফিরোজের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় বিলুপ্ত ছিটমহল রামগঞ্জ বিলাসী থেকে স্কুল ছাত্রীটিকি উদ্বার করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মামলা প্রধান আসামী মোস্তাকিন ইসলাম পালিয়ে যায়। ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আদালতের মাধ্যমে মেয়েটিকে তার পিতার জিম্মায় দেয়া হবে।

No comments:
Post a Comment