প্রচণ্ড শীতে জুবুথুবু হয়ে পড়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। গত ১০ বছরের মধ্যে দিল্লিতে মরসুমের শীতলতম দিন ছিল সোমবার। এদিন ভারতের রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই সময়ের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে তা পাঁচ ডিগ্রি কম। ঘন কুয়াশায় সোমবার দিল্লিতে বাতিল হয়ে যায় ছ’টি ট্রেনের যাত্রা। একই সঙ্গে ১৬টি ট্রেনের সময়সূচিও পরিবর্তিত হয়েছে। ঠাণ্ডার কবলে পড়ে দিল্লিবাসীর নাজেহাল অবস্থা। সকাল থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে রাজধানী। সঙ্গে ছিল ঝিরঝিরে বৃষ্টি। এর আগের দিন রোববার দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ওদিকে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডায় রীতিমতো কাবু হয়ে পড়েছেন জম্মু-কাশ্মীরবাসীও। পাশাপাশি, লাদাখসহ হরিয়ানা, বিহার এবং রাজস্থানের চুরুতেও প্রচণ্ড ঠাণ্ডা পড়েছে। চুরুতে সোমবার তাপমাত্রার পারদ নেমে গিয়েছিল মাইনাস এক ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের জের ধরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে রাজস্থানের স্বাভাবিক জনজীবন।
পাঞ্জাব ও হরিয়ানার বিভিন্ন জেলাতেও ছিল মোটামুটি একই চিত্র। এ দু’রাজ্যের মধ্যে তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি নেমেছে হরিয়ানার হিসারে; যা ছিল মাইনাস ০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড শীতে নারনাউল, আম্বালা আর ভিওয়ানির মানুষ কার্যত গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন। পাঞ্জাবের জলন্ধর, অমৃতসর, চণ্ডীগড়সহ শীতের কামড় সর্বত্র। খুব প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরুতে পারেননি কেউই। ব্যহত হয়ে পড়েছে জীবনযাত্রা।
ওদিকে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডায় রীতিমতো কাবু হয়ে পড়েছেন জম্মু-কাশ্মীরবাসীও। পাশাপাশি, লাদাখসহ হরিয়ানা, বিহার এবং রাজস্থানের চুরুতেও প্রচণ্ড ঠাণ্ডা পড়েছে। চুরুতে সোমবার তাপমাত্রার পারদ নেমে গিয়েছিল মাইনাস এক ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের জের ধরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে রাজস্থানের স্বাভাবিক জনজীবন।
পাঞ্জাব ও হরিয়ানার বিভিন্ন জেলাতেও ছিল মোটামুটি একই চিত্র। এ দু’রাজ্যের মধ্যে তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি নেমেছে হরিয়ানার হিসারে; যা ছিল মাইনাস ০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড শীতে নারনাউল, আম্বালা আর ভিওয়ানির মানুষ কার্যত গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন। পাঞ্জাবের জলন্ধর, অমৃতসর, চণ্ডীগড়সহ শীতের কামড় সর্বত্র। খুব প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরুতে পারেননি কেউই। ব্যহত হয়ে পড়েছে জীবনযাত্রা।

No comments:
Post a Comment