/ / ঠোঁটের যত্ন

ঠোঁটের যত্ন

ডেস্ক নিউজ : হাসি দিয়ে মন ভোলাতে চাই সুন্দর একজোড়া ঠোঁট। যার সৌন্দর্য ধরে রাখার ক্ষেত্রেও রয়েছে নানা ধরনের যতœআত্তি...
মানুষের সৌন্দর্যের প্রশ্নে প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সুন্দর একটি মুখমণ্ডলের প্রতিচ্ছবি। আর এ মুখমণ্ডলের সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ হচ্ছে এক জোড়া ঠোঁট। ঠোঁট আকর্ষণীয় না হলে সৌন্দর্যের অনেক কিছুতেই ভাটা পড়ে যায়। কারণ চেহারার সৌন্দর্যে সজীব ও রাঙা ঠোঁটের হাসিটাও বিরাট ভূমিকা রাখে। তাই ঠোঁট দুটি হবে আকর্ষণীয় ও দেখার মতো এটাই সবার কামনা। সে জন্য নিয়মিত নিতে হবে ঠোঁটের যতœ। ঠোঁট ঘন ঘন শুকিয়ে যাওয়া, ফাটা ফাটা ভাব হওয়া, কালো হয়ে যাওয়া এগুলো খুবই কমন সমস্যা। কারণ ঠোঁটের ত্বক খুবই নরম এবং সেনসিটিভ। আর ঠোঁটে কোনো তেলগ্রন্থি না থাকায় এটা বাইরের আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না। তাই ঠোঁটের সৌন্দর্য বজায় রাখতে হলে একটু বেশিই সচেতন হতে হবে।
ঠোঁটের যতœ প্রসঙ্গে গীতিস বিউটি পার্লারের বিউটি এক্সপার্ট গীতি বিল্লাহ বলেন, ঠোঁটের শুষ্কতা বা ঠোঁট ফাটা কিংবা ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়া এ সমস্যাগুলো সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। তবে এগুলো এড়িয়ে যাওয়াও খুব সহজ। এজন্য নিয়মিত ঠোঁটে লেবুর রস ও গোলাপ পানি লাগাতে পারেন। এ ছাড়া প্রতিদিন ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে ঠোঁট পরিষ্কার করতে পারেন। সম্ভব হলে ঠোঁটে দুধের সর ও চিনি মিশিয়ে গলে না যাওয়া পর্যন্ত ম্যাসাজ করে নিতে পারেন। তাতে ঠোঁট অনেকটা সজীব দেখাবে। সপ্তাহে দু’এক দিন ঠোঁট জোড়া ব্রাশ করে নেবেন। তাতে ঠোঁটের মরা কোষগুলো ঝরে যাবে। ঠোঁট কামড়ানো ও জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো পরিহার করুন। যাদের ঠোঁট ঘন ঘন শুকিয়ে যায় বা ফেটে যায়, তারা ভ্যাসলিন বা অ্যালোভেরা জেল লাগাতে পারেন। তবে ঠোঁটে ভ্যাসলিন লাগিয়ে কখনোই রোদে যাবেন না। তাতে ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে। রোদে বের হওয়ার সময় ঠোঁটে কিছুটা নারিকেল তেল নিন। এরপর চাইলে লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। তবে যে লিপস্টিকই ব্যবহার করুন না কেন, সেটা যেন অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের হয়। কেননা, লিপস্টিকের কারণে ঠোঁটে অ্যালার্জিসহ নানাবিধ ক্ষতি হতে পারে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ক্রিম বা তুলা দিয়ে লিপস্টিক তুলে ফেলে একটু ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। নিয়মিত লিপজেল বা চ্যাপস্টিক ব্যবহার করুন। তবে অধিক সুগন্ধিযুক্ত লিপজেল বা চ্যাপস্টিক ব্যবহার না করাই ভালো। অতিরিক্ত প্রসাধনী ঠোঁটকে শুষ্ক করে তোলে। তাই সাময়িক সৌন্দর্যের জন্য অপ্রয়োজনীয় প্রসাধনী ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। প্রতিবার দাঁত মাজার সময় টুথপেস্ট আমাদের ঠোঁট স্পর্শ করে। তাই টুথপেস্টটিও হওয়া চাই ভালো কোম্পানির ও নিরাপদ। এ ছাড়া সাবান এবং ফেসওয়াশ একদম ঠোঁটে লাগাবেন না। ঠোঁটের কোনা ফাটা রোধ করতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’ জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন।

about author

Previous Post :Go to tne previous Post
Next Post:Go to tne Next Post

No comments:

Post a Comment