/ , / রাস্তায় বিমান খুঁজে পাবার আশা

রাস্তায় বিমান খুঁজে পাবার আশা

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের নিখোঁজ ফ্লাইট৩৭০ কে খুঁজে পাবার জন্য তল্লাশি এখন ভারত মহাসাগরের নতুন এলাকায় চালানো হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার ম্যারিটাইম সেফটি অথরিটি বা এ্যামসা বলছে, নতুন এবং ‘গ্রহণযোগ্য’ সূত্র পাওয়ায়, আগের অনুসন্ধান এলাকা থেকে ১,১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।

অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এই নতুন এলাকায় একটি অনুসন্ধানী বিমান মহাসাগরে কিছু ‘বস্তু’ দেখতে পেয়েছে।

তবে এই বস্তুগুলোকে যাচাই করে সনাক্ত করার জন্য এলাকায় নৌযান পাঠাতে হবে, যেটা আগামীকালের আগে সম্ভব হবে না বলে এ্যামসা জানিয়েছে।
নতুন ১১টি বস্তু

নতুন এলাকায় নিউ জিল্যান্ড বিমান বাহিনীর একটি ওরাইওন উড়োজাহাজ ১১টি বস্তু দেখতে পায়, যেগুলো এখনো সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে, অস্ট্রেলিয়া এবং মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানায়, যে রাডারের তথ্য পুনরায় বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নিখোঁজ বিমানটি আরো দ্রুত গতিতে উড়ছিল, অর্থাৎ তার জ্বালানি আরো তাড়াতাড়ি শেষ হয়েছিল।

এর ফলে, বিমানের ধ্বংসাবশেষ খোঁজার কাজ তারা আরো উত্তর-পূর্বে নিয়ে গেছেন।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত, তল্লাশি কার্যক্রম অস্ট্রেলীয় শহর পার্থ-এর ২,৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে চালানো হচ্ছিলো।

কুয়ালা লামপুর থেকে বেইজিং গামী এই বিমানে ২৩৯জন আরোহী ছিলেন। বিমানটি মার্চ মাসের ৮ তারিখে নিখোঁজ হয়।

বেইজিং-এ একজন যাত্রীর আত্মীয়র শোক

    "নতুন তল্লাশি এলাকার সাথে বিগত সপ্তাহে স্যাটেলাইটে দেখা বস্তুগুলোর অবস্থানের সামঞ্জস্য থাকতে পারে"

হিশামুদ্দীন হোসেন

স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, যে ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের কোন এক জায়গায় বিধ্বস্ত হয়েছে।

এখন পর্যন্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষের কোন হদিস পাওয়া যায়নি।

স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ধারণ করা ছবি দিয়ে বেশ কয়েকটি দেশ সাগরে ভাসমান বস্তু চিহ্নিত করেছে, কিন্তু পরবর্তীতে এই বস্তুগুলোকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তাছাড়া, এই বস্তুগুলো যে নিখোঁজ বিমানের সাথে সম্পৃক্ত ছিল, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
বিক্ষুব্ধ পরিবার

তবে মালয়েশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী হিশামুদ্দীন হোসেন বলেন, তল্লাশি এলাকা আরো উত্তরে নিয়ে যাওয়ার মানে এই না, যে স্যাটেলাইট থেকে দেখা বস্তুগুলো বিমানের ধ্বংসাবশেষ নয়।

“যেহেতু মহাসাগরে পানি স্থির থাকে না, তাই এই নতুন তল্লাশি এলাকার সাথে বিগত সপ্তাহে স্যাটেলাইটে দেখা বস্তুগুলোর অবস্থানের সামঞ্জস্য থাকতে পারে”, তিনি বলেন।

তবে বিমানটি কেন তার নির্ধারিত যাত্রাপথ থেকে সরে গেল এবং স্থলে এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রকদের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেললো, এই প্রশ্নগুলো বিশেষজ্ঞদের এখনো বিভ্রান্ত করছে।

নিখোঁজ বিমানের ১৫৩জন চীনা যাত্রীদের পরিবারদের কেউ কেউ মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের দেওয়া ব্যাখা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। মালয়েশিয় কর্মকর্তারা সব তথ্য প্রকাশ করছে না বলে তারা অভিযোগ করেছেন।

about author

Previous Post :Go to tne previous Post
Next Post:Go to tne Next Post

No comments:

Post a Comment