দেশে এখন চলছে রবি শস্যের ভরা মৌসুম। কিন্তু সারের অভাবে হুমকির মুখে রবি শস্য। তাছাড়া কৃষকরা সারের অভাবে আলু ও পেঁয়াজ রোপণ করতে পারছে না। অথচ সময়মতো আলু ও পেঁয়াজ রোপণ করা না গেলে ফলনও ভালো হবে। কিন্তু সার না পাওয়ায় আলু ও পেঁয়াজ রোপণ করতে কৃষকরা হিমশিম খাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সারের অভাবে আলু ও পেঁয়াজের উৎপাদন নিয়ে কৃষকরা শঙ্কিত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এদেশে ভাতের বিকল্প হিসেবে আলু খুবই গুরুত্বপূর্ণ সবজি হিসেবেও এর ব্যাপক ব্যবহার। দেশে বছরে আলুর ব্যবহার মাথাপিছু ১৩ দশমিক ৩০ কেজি। প্রতিবছরই এর ব্যবহার বাড়ছে। তাছাড়া দেশের চাহিদা মিটিয়ে ২৫টি দেশে আলু রফতানি হয়। এ খাত থেকে বছরে ১২০ থেকে ১২৫ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। এ কারণে সরকার ২০২১ সালে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ১০৩ লাখ মেট্রিক টন। ২০১২-১৩ অর্থবছরে দেশে আলু উৎপাদন হয়েছে ৮৬ দশমিক ০৩ লাখ মেট্রিক টন। এর আগে ২০১১-১২ অর্থবছরে ৮২ দশমিক ০৫ লাখ মেট্রিক টন, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৮৩ লাখ ২৬ লাখ মেট্রিক টন, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৮৪ লাখ মেট্রিক টন এবং ২০০৮-’০৯ অর্থবছরে ৬৭ দশমিক ৪৬ লাখ মেট্রিক টন।
সূত্র জানায়, দেশে ৫ লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়। আর উৎপাদিত আলুর ৪০ ভাগই উৎপাদন হয় মুন্সিগঞ্জ। বাকি আলু চাষ হয় রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, বগুড়া, জয়পুরহাট, যশোর এবং কুষ্টিয়ায়।
সূত্র মতে, মসলা হিসেবে পেঁয়াজও দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয় ১৯ লাখ টন। বাকিটা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। গত অর্থবছরে প্রায় ৬ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়েছে। দেশের সব অঞ্চলে পেঁয়াজের চাষ হয় না। পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া এবং যশোর অঞ্চলে পেঁয়াজের আবাদ হয়ে থাকে। এ অবস্থায় ওসব এলাকার চাষীদের হাতে এখনই সার পৌঁছানো না গেরে পেঁয়াজ চাষে ধস নামবে। তখন পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা শুধু বাড়বে তাই নয়, সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আলু ও পেঁয়াজ চাষে টিএসপি ও পটাশ সার খুবই জরুরি। কিন্তু জমিতে সার দিতে না পারলে উৎপাদনে ধস নামবে। দেশে আলু ও পেঁয়াজের চাষ স্বাভাবিক রাখতে যে কোনো মূল্যে কৃষকের হাতে সার পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
বিসিআইসি সূত্রে জানা যায়, দেশে বছরে সারের চাহিদা গড়ে ৪৭ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ইউরিয়া ২৮ লাখ টন, টিএসপি ৭ লাখ টন এবং পটাশ সাড়ে ৬ লাখ টন। চলতি বছরে পটাশের চাহিদা ৮ লাখ মেট্রিক টন। কিন্তু মজুদ রয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন। আর সাড়ে ৫ লাখ টন পটাশ সার সরকারকে আমদানি করতে হবে।
এদিকে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঘন ঘন টানা হরতাল-অবরোধে একদিকে যেমন চাষীরা তাদের উৎপাদিত শাকসবজি ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারছেন না, অন্যদিকে তীব্র সার সঙ্কটে তাদের পক্ষে রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না আলু ও পেঁয়াজ। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশে আলু ও পেঁয়াজ উৎপাদনে বিপর্যয় নেমে আসবে। আর দেশবাসীকেই এর দায় ভোগ করতে হবে।
সূত্র জানায়, গুদাম ভর্তি সার থাকলেও কৃষকরা তা পাচ্ছে না। দেশে সারের কোনো সঙ্কট নেই। কৃষকের হাতে সার পৌঁছে দিতেও সরকার প্রস্তুত। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সার পাচ্ছে না কৃষক। সারের অভাবে রবি শস্য নিয়ে কৃষকরা চোখে অন্ধকার দেখছে। সারের জন্য দেশের উত্তরাঞ্চলের আলু ও পেঁয়াজ চাষীরা হাহাকার করছেন। কিন্তু হরতাল-অবরোধে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় তাদের হাতে সার পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। নদীপথে সার পাঠানো গেলেও ডিপো থেকে ডিলারের কাছে সার পৌঁছানো যাচ্ছে না। অথচ এখনই ওসব এলাকায় সার পাঠানো খুবই জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীপথে নগরবাড়ি ও বাঘাবাড়িতে সার পাঠানোর পর সেখান থেকে আর কোথাও পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এদেশে ভাতের বিকল্প হিসেবে আলু খুবই গুরুত্বপূর্ণ সবজি হিসেবেও এর ব্যাপক ব্যবহার। দেশে বছরে আলুর ব্যবহার মাথাপিছু ১৩ দশমিক ৩০ কেজি। প্রতিবছরই এর ব্যবহার বাড়ছে। তাছাড়া দেশের চাহিদা মিটিয়ে ২৫টি দেশে আলু রফতানি হয়। এ খাত থেকে বছরে ১২০ থেকে ১২৫ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। এ কারণে সরকার ২০২১ সালে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ১০৩ লাখ মেট্রিক টন। ২০১২-১৩ অর্থবছরে দেশে আলু উৎপাদন হয়েছে ৮৬ দশমিক ০৩ লাখ মেট্রিক টন। এর আগে ২০১১-১২ অর্থবছরে ৮২ দশমিক ০৫ লাখ মেট্রিক টন, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৮৩ লাখ ২৬ লাখ মেট্রিক টন, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৮৪ লাখ মেট্রিক টন এবং ২০০৮-’০৯ অর্থবছরে ৬৭ দশমিক ৪৬ লাখ মেট্রিক টন।
সূত্র জানায়, দেশে ৫ লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়। আর উৎপাদিত আলুর ৪০ ভাগই উৎপাদন হয় মুন্সিগঞ্জ। বাকি আলু চাষ হয় রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, বগুড়া, জয়পুরহাট, যশোর এবং কুষ্টিয়ায়।
সূত্র মতে, মসলা হিসেবে পেঁয়াজও দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয় ১৯ লাখ টন। বাকিটা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। গত অর্থবছরে প্রায় ৬ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়েছে। দেশের সব অঞ্চলে পেঁয়াজের চাষ হয় না। পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া এবং যশোর অঞ্চলে পেঁয়াজের আবাদ হয়ে থাকে। এ অবস্থায় ওসব এলাকার চাষীদের হাতে এখনই সার পৌঁছানো না গেরে পেঁয়াজ চাষে ধস নামবে। তখন পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা শুধু বাড়বে তাই নয়, সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আলু ও পেঁয়াজ চাষে টিএসপি ও পটাশ সার খুবই জরুরি। কিন্তু জমিতে সার দিতে না পারলে উৎপাদনে ধস নামবে। দেশে আলু ও পেঁয়াজের চাষ স্বাভাবিক রাখতে যে কোনো মূল্যে কৃষকের হাতে সার পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
বিসিআইসি সূত্রে জানা যায়, দেশে বছরে সারের চাহিদা গড়ে ৪৭ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ইউরিয়া ২৮ লাখ টন, টিএসপি ৭ লাখ টন এবং পটাশ সাড়ে ৬ লাখ টন। চলতি বছরে পটাশের চাহিদা ৮ লাখ মেট্রিক টন। কিন্তু মজুদ রয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন। আর সাড়ে ৫ লাখ টন পটাশ সার সরকারকে আমদানি করতে হবে।
এদিকে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঘন ঘন টানা হরতাল-অবরোধে একদিকে যেমন চাষীরা তাদের উৎপাদিত শাকসবজি ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারছেন না, অন্যদিকে তীব্র সার সঙ্কটে তাদের পক্ষে রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না আলু ও পেঁয়াজ। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশে আলু ও পেঁয়াজ উৎপাদনে বিপর্যয় নেমে আসবে। আর দেশবাসীকেই এর দায় ভোগ করতে হবে।
সূত্র জানায়, গুদাম ভর্তি সার থাকলেও কৃষকরা তা পাচ্ছে না। দেশে সারের কোনো সঙ্কট নেই। কৃষকের হাতে সার পৌঁছে দিতেও সরকার প্রস্তুত। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সার পাচ্ছে না কৃষক। সারের অভাবে রবি শস্য নিয়ে কৃষকরা চোখে অন্ধকার দেখছে। সারের জন্য দেশের উত্তরাঞ্চলের আলু ও পেঁয়াজ চাষীরা হাহাকার করছেন। কিন্তু হরতাল-অবরোধে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় তাদের হাতে সার পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। নদীপথে সার পাঠানো গেলেও ডিপো থেকে ডিলারের কাছে সার পৌঁছানো যাচ্ছে না। অথচ এখনই ওসব এলাকায় সার পাঠানো খুবই জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীপথে নগরবাড়ি ও বাঘাবাড়িতে সার পাঠানোর পর সেখান থেকে আর কোথাও পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।

No comments:
Post a Comment