ভোটের আগের রাতে নাশকতার কারণে বিভিন্ন জেলার ১৯টি আসনের ১৪১টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব ফরহাদ হোসেন জানান, রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত মাঠ পর্যায় থেকে তাদের কাছে এ তথ্য এসেছে।
তিনি বলেন, স্কুলে আগুন ও ব্যালট পেপার পুড়িয়ে দেয়া বা ছিনতাইয়ের মতো ঘটনায় যেসব কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে তার তথ্য আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করছি।
এর মধ্যে রংপুর-৪ আসনের ৪১টি ও রংপুর-৩ আসনের তিনটি কেন্দ্র
দিনাজপুর-৪ আসনে ১৪টি, দিনাজপুর-৫ আসনে একটি কেন্দ্র
গাইবান্ধা-১ আসনে ২টি, গাইবান্ধা-৩ আসনে ২১টি, গাইবান্ধা-৪ আসনে ২০টি কেন্দ্র
বগুড়া-৭ আসনে ৯টি কেন্দ্র
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩টি কেন্দ্র
নীলফামারী-৩ আসনে ৪টি, নীলফামারী-১ আসনে ৫টি কেন্দ্র
লালমনিরহাট-১ আসনে ১টি কেন্দ্র
হবিগঞ্জ-২ আসনে ২টি কেন্দ্র
কুমিল্লা-৯ আসনে ৪টি কেন্দ্র
লক্ষ্মীপুর-১ আসনের তিনটি কেন্দ্র
ফেনী-৩ আসনে একটি কেন্দ্র
জামালাপুর-৪ আসনের দুটি কেন্দ্র
শেরপুর-৩ আসনের একটি কেন্দ্র
এবং চট্টগ্রাম-১৫ আসনের দুটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে বলে ইসি সচিবালয়ের ভোটগ্রহণ সম্পর্কিত সমন্বয় সেল থেকে জানানো হয়েছ।
এছাড়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ৮৪ নম্বর কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শনিবার নিহত হয়েছেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, এসব কেন্দ্র এতোটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে, সেগুলো আর ভোটগ্রহণের উপযোগী নেই। এ কারণে ভোট আপাতত বন্ধ রয়েছে।
এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যায়িত করে গত ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে অবরোধ চালিয়ে আসছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলীয় জোট। ভোট ঠেকাতে অবরোধের সঙ্গে শনিবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার হরতালও শুরু করেছে তারা।
এই অবরোধ-হরতালের মধ্যে গত শুক্রবার থেকে শতাধিক কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ হয়েছে; পোড়ানো হয়েছে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম। ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেছে।
এই পরিস্থিতিতে শেষ মুহূর্তে ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে শনিবারই জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।
সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ডে এবার ভোট হচ্ছে কেবল ১৪৭ আসনে। রোববার ১৮ হাজার ২০৮টি কেন্দ্রের ৯১ হাজার ২১৩ ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এর মধ্যে ১৪১টি কেন্দ্রে নাশকতার খবর এসেছে।
তিনি বলেন, স্কুলে আগুন ও ব্যালট পেপার পুড়িয়ে দেয়া বা ছিনতাইয়ের মতো ঘটনায় যেসব কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে তার তথ্য আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করছি।
এর মধ্যে রংপুর-৪ আসনের ৪১টি ও রংপুর-৩ আসনের তিনটি কেন্দ্র
দিনাজপুর-৪ আসনে ১৪টি, দিনাজপুর-৫ আসনে একটি কেন্দ্র
গাইবান্ধা-১ আসনে ২টি, গাইবান্ধা-৩ আসনে ২১টি, গাইবান্ধা-৪ আসনে ২০টি কেন্দ্র
বগুড়া-৭ আসনে ৯টি কেন্দ্র
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩টি কেন্দ্র
নীলফামারী-৩ আসনে ৪টি, নীলফামারী-১ আসনে ৫টি কেন্দ্র
লালমনিরহাট-১ আসনে ১টি কেন্দ্র
হবিগঞ্জ-২ আসনে ২টি কেন্দ্র
কুমিল্লা-৯ আসনে ৪টি কেন্দ্র
লক্ষ্মীপুর-১ আসনের তিনটি কেন্দ্র
ফেনী-৩ আসনে একটি কেন্দ্র
জামালাপুর-৪ আসনের দুটি কেন্দ্র
শেরপুর-৩ আসনের একটি কেন্দ্র
এবং চট্টগ্রাম-১৫ আসনের দুটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে বলে ইসি সচিবালয়ের ভোটগ্রহণ সম্পর্কিত সমন্বয় সেল থেকে জানানো হয়েছ।
এছাড়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ৮৪ নম্বর কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শনিবার নিহত হয়েছেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, এসব কেন্দ্র এতোটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে, সেগুলো আর ভোটগ্রহণের উপযোগী নেই। এ কারণে ভোট আপাতত বন্ধ রয়েছে।
এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যায়িত করে গত ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে অবরোধ চালিয়ে আসছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলীয় জোট। ভোট ঠেকাতে অবরোধের সঙ্গে শনিবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার হরতালও শুরু করেছে তারা।
এই অবরোধ-হরতালের মধ্যে গত শুক্রবার থেকে শতাধিক কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ হয়েছে; পোড়ানো হয়েছে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম। ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেছে।
এই পরিস্থিতিতে শেষ মুহূর্তে ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে শনিবারই জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।
সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ডে এবার ভোট হচ্ছে কেবল ১৪৭ আসনে। রোববার ১৮ হাজার ২০৮টি কেন্দ্রের ৯১ হাজার ২১৩ ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এর মধ্যে ১৪১টি কেন্দ্রে নাশকতার খবর এসেছে।

No comments:
Post a Comment