ডেক্স নিউজ : স্থগিত হওয়া আট আসনের নির্বাচনী এলাকায় আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সেনা মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপির)।
শুক্রবার আইএসপিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৬ জানুয়ারি
দিনাজপুর-৪, কুড়িগ্রাম-৪, বগুড়া-৭, যশোর-৫, লক্ষীপুর-১, গাইবান্ধা-১, ৩ ও ৪
স্থগিত/বন্ধ ঘোষিত ৩৯২টি ভোটকেন্দ্রে পুনঃভোটগ্রহণ হবে।
“পুনঃভোটগ্রহণ সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন রাখার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
এ কারণে এসব নির্বাচনী এলাকায় ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে’ সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
নির্বাচনী কাজে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে গত ২৬ ডিসেম্বর সারা দেশে সেনা মোতায়েন করা হয়।
অবশ্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছিলেন, প্রয়োজনে সংঘাতপূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় সেনা সদস্যদের মাঠে থাকার সময়সীমা বাড়তে পারে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়কে নিরাপদ যান চলাচল ও স্বাভাবিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে কাজ করে।
প্রধান বিরোধী দল বিএনপির প্রতিহতের ঘোষণার মধ্যেই গত ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়, যাতে বিভিন্ন কেন্দ্রে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ভাট চলাকালেই অন্তত ১৮ জন নিহত হন।
গোলযোগের কারণে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই আটটি আসনের ফল স্থগিত করে সেখানে পুনরায় ভোট অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত জানায় নির্বাচন কমিশন।
“পুনঃভোটগ্রহণ সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন রাখার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
এ কারণে এসব নির্বাচনী এলাকায় ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে’ সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
নির্বাচনী কাজে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে গত ২৬ ডিসেম্বর সারা দেশে সেনা মোতায়েন করা হয়।
অবশ্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছিলেন, প্রয়োজনে সংঘাতপূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় সেনা সদস্যদের মাঠে থাকার সময়সীমা বাড়তে পারে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়কে নিরাপদ যান চলাচল ও স্বাভাবিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে কাজ করে।
প্রধান বিরোধী দল বিএনপির প্রতিহতের ঘোষণার মধ্যেই গত ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়, যাতে বিভিন্ন কেন্দ্রে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ভাট চলাকালেই অন্তত ১৮ জন নিহত হন।
গোলযোগের কারণে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই আটটি আসনের ফল স্থগিত করে সেখানে পুনরায় ভোট অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত জানায় নির্বাচন কমিশন।

No comments:
Post a Comment